অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন আবারও চালু — সরাসরি আবেদন করার নতুন নির্দেশনা ২০২৬

দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন (Online Death Registration) আবারও সর্বসাধারণের জন্য চালু হয়েছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে BDRIS ওয়েবসাইটে সরাসরি আবেদন করা যাচ্ছে। জানুন নতুন নির্দেশনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের ধাপ।

Feb 28, 2026 - 14:16
 0  10
অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন আবারও চালু — সরাসরি আবেদন করার নতুন নির্দেশনা ২০২৬

আপনি কি জানেন যে গত তিন মাস ধরে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন (Online Death Registration) সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ ছিল? হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। তবে সুখবর হলো, সেই অপেক্ষার অবশেষে অবসান হয়েছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন আবারও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এখন আপনি ঘরে বসেই, নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

এই আর্টিকেলে আমরা সহজ ভাষায় জানবো — কেন বন্ধ ছিল, এখন কীভাবে আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং কোথায় সমস্যা হলে সাহায্য পাবেন। চলুন শুরু করি।

অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন কেন বন্ধ ছিল?

বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, যেটাকে আমরা BDRIS (Birth and Death Registration Information System) বলে চিনি, সেই সিস্টেমের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য গত বছরের ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য সরাসরি অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

এই সময়ের মধ্যে তথ্য ফাঁস ও সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) ঝুঁকি কমাতে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধুমাত্র নিবন্ধন কার্যালয়ের অনুমোদিত সহকারীরা তাদের নিজস্ব User ID ব্যবহার করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারতেন। সাধারণ নাগরিক সরাসরি আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। এই কারণে অনেককে নিবন্ধন কার্যালয়ে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিল।

তবে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন পরিষ্কার জানিয়েছে যে, এই পুরো সময়ে অনলাইন মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল না — শুধু পাবলিক সাইট থেকে সরাসরি আবেদনের সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল।

একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Key Information at a Glance)

বিষয় তথ্য
সেবা বন্ধ হওয়ার তারিখ ২১ নভেম্বর ২০২৫
সেবা পুনরায় চালুর তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বন্ধ থাকার মোট সময় প্রায় ৩ মাস
বন্ধ রাখার কারণ BDRIS সিস্টেমের নিরাপত্তা (Cyber Security) জোরদার করা
সরকারি ওয়েবসাইট (Official Website) bdris.gov.bd
রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় orgbdr.gov.bd
হেল্পলাইন (Helpline) 16152
সাপোর্ট ইমেইল support@bdris.gov.bd / help@bdris.gov.bd
ডকুমেন্ট আপলোড সাইজ (আপডেট) পূর্বে ১০০ KB → এখন ২ MB

এখন কীভাবে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন করবেন?

সুখবর হলো, এখন আগের মতোই আপনি ঘরে বসে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন (Online Death Registration Application) করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে সরকারি ওয়েবসাইট bdris.gov.bd তে যেতে হবে। ওয়েবসাইটে গিয়ে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন অপশনটি বেছে নিন।

প্রথমে মৃত ব্যক্তির সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। নাম, জন্মতারিখ, মৃত্যুর তারিখ, স্থায়ী ঠিকানা — সব কিছু মনোযোগ দিয়ে লিখুন। তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (Document) গুলো স্ক্যান করে আপলোড করুন। একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হলো, এখন থেকে প্রমাণক ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ ২ MB (Megabyte) পর্যন্ত আপলোড করা যাবে, যেখানে আগে ছিল মাত্র ১০০ KB। সুতরাং এখন পরিষ্কার ও স্পষ্ট ছবি তুলে আপলোড করতে পারবেন। সবশেষে আবেদনটি সাবমিট করুন এবং আবেদন নম্বর (Application Number) টি সংরক্ষণ করুন।

মৃত্যুনিবন্ধন আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Required Documents)

ক্রম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিস্তারিত
মৃত ব্যক্তির NID / জন্মনিবন্ধন জাতীয় পরিচয়পত্র (যদি থাকে) অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ
চিকিৎসকের মৃত্যু সনদ (Medical Death Certificate) হাসপাতাল বা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের প্রদত্ত সনদ
আবেদনকারীর NID যিনি আবেদন করছেন তার জাতীয় পরিচয়পত্র
ঠিকানার প্রমাণ (Address Proof) ইউনিয়ন পরিষদ / পৌরসভার সনদ বা ইউটিলিটি বিল
মৃত্যুর স্থান সংক্রান্ত তথ্য হাসপাতাল, বাড়ি বা যেখানে মৃত্যু হয়েছে সেই তথ্য

কেন মৃত্যুনিবন্ধন করা এত জরুরি? (Why Death Registration is Important)

মৃত্যুনিবন্ধন (Death Registration) শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হস্তান্তর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিষ্পত্তি, পেনশন সুবিধা পাওয়া থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির জন্য মৃত্যুনিবন্ধন সনদ অপরিহার্য।

এছাড়া সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্য সঠিক মৃত্যু তথ্য জাতীয় পরিকল্পনায় কাজে আসে। ডিজিটাল বাংলাদেশ (Digital Bangladesh) গড়ার পথে এই ধরনের অনলাইন সেবা প্রশাসনকে আরও গতিশীল করে তোলে।

BDRIS সিস্টেমে নতুন কী আপডেট এলো? (New Updates in BDRIS System)

শুধু মৃত্যুনিবন্ধন চালু হয়নি, সাথে BDRIS সিস্টেমেও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এসেছে। আগে কোনো ডকুমেন্ট আপলোড করতে গেলে ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ ১০০ KB পর্যন্ত গ্রহণ করা হতো, যার কারণে অনেক সময় পরিষ্কার ছবি আপলোড করা সম্ভব হতো না। এখন সেই সীমা বাড়িয়ে ২ MB (2 Megabyte) করা হয়েছে।

এর মানে হলো, এখন আপনি স্পষ্ট, দৃশ্যমান ও পড়ার উপযোগী ডকুমেন্ট সহজেই আপলোড করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে যে, ডকুমেন্টের ছবি যেন স্পষ্ট ও পরিষ্কার হয় — যাতে যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। এছাড়া BDRIS সার্ভার এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং আবেদন গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই বলে জানানো হয়েছে।

অনলাইন আবেদনে কী কী সুবিধা পাবেন? (Benefits of Online Death Registration)

অনলাইনে আবেদন করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সময় ও কষ্ট বাঁচানো। আগে মৃত্যুনিবন্ধনের জন্য নিবন্ধন কার্যালয়ে সরাসরি যেতে হতো, লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু এখন আপনি বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও, শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।

Digital Record Management এর ক্ষেত্রেও অনলাইন আবেদন অনেক বেশি কার্যকর। তথ্যগুলো সরাসরি সরকারি ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয়, ফলে ভবিষ্যতে যাচাই ও রেফারেন্স করা সহজ হয়। এছাড়া আবেদনের স্ট্যাটাস (Application Status) অনলাইনেই ট্র্যাক করা যায়।

অনলাইন বনাম অফলাইন আবেদন — পার্থক্য কোথায়? (Online vs Offline Comparison)

বিষয় অনলাইন আবেদন (Online) অফলাইন আবেদন (Offline)
কোথায় করবেন ঘরে বসে, যেকোনো ডিভাইস থেকে নিবন্ধন কার্যালয়ে সরাসরি
সময় যেকোনো সময়, ২৪/৭ অফিস সময়ে (সাধারণত সকাল ৯টা – বিকেল ৫টা)
ভোগান্তি কম, লাইনে দাঁড়াতে হয় না বেশি, দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতে পারে
খরচ তুলনামূলক কম (যাতায়াত নেই) যাতায়াত খরচ আছে
ডকুমেন্ট সাবমিশন ডিজিটাল আপলোড (সর্বোচ্চ ২ MB) মূল কাগজ বা ফটোকপি জমা দিতে হয়
স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং অনলাইনেই যাচাই সম্ভব কার্যালয়ে গিয়ে জানতে হয়

সমস্যা হলে কোথায় যোগাযোগ করবেন? (Support & Contact)

আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে আপনি সরাসরি সরকারি সহায়তা নিতে পারবেন। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় একটি কলসেন্টার (Call Center) চালু রেখেছে। যেকোনো সমস্যায় 16152 নম্বরে ফোন করুন। এছাড়া BDRIS সফটওয়্যার সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার জন্য স্ক্রিনশটসহ বিস্তারিত লিখে support@bdris.gov.bd ইমেইলে পাঠাতে পারেন।

যদি নিবন্ধন কার্যালয়ের সেবা প্রাপ্তিতে কোনো সমস্যা হয়, তাহলে grievance@bdris.gov.bd তে অভিযোগ পাঠান। আর সাধারণ নাগরিক হিসেবে সেবা পেতে সমস্যা হলে help@bdris.gov.bd তে ইমেইল করুন। প্রতিটি অভিযোগ কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সাথে দেখে থাকে।

যোগাযোগের ধরন যোগাযোগের তথ্য
হেল্পলাইন (Helpline Number) 16152
টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইমেইল support@bdris.gov.bd
সাধারণ সাহায্য ইমেইল help@bdris.gov.bd
অভিযোগ দাখিলের ইমেইল grievance@bdris.gov.bd
সরকারি ওয়েবসাইট bdris.gov.bd
রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় orgbdr.gov.bd

ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে এই সেবার গুরুত্ব (Significance for Digital Bangladesh)

বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে ই-গভর্নেন্স (e-Governance) এবং ডিজিটাল সার্ভিস ডেলিভারি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। মৃত্যুনিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা অনলাইনে পাওয়া যাওয়া এই যাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

বিশেষত প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য এই সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাদের জেলা বা উপজেলা সদরে আসা সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর। একটি স্মার্টফোন (Smartphone) আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এখন মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন করা সম্ভব। এটি শুধু সুবিধার বিষয় নয়, এটি সাধারণ মানুষের মৌলিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার একটি বড় পদক্ষেপ।

সাইবার নিরাপত্তা উন্নয়নের পরে এই সেবা পুনরায় চালু হওয়ায় নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষাও আগের চেয়ে অনেক বেশি নিশ্চিত। BDRIS সিস্টেম এখন আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ) — অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন ২০২৬

প্রশ্ন ১: অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন কখন থেকে আবার চালু হয়েছে?

উত্তর: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) থেকে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন জনসাধারণের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর আগে ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে প্রায় ৩ মাস সাধারণ নাগরিকদের জন্য সরাসরি আবেদন বন্ধ ছিল।

প্রশ্ন ২: অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন কোন ওয়েবসাইটে করতে হবে?

উত্তর: বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bdris.gov.bd তে গিয়ে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। এটি সম্পূর্ণ সরকারি ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম।

প্রশ্ন ৩: তিন মাস ধরে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন কেন বন্ধ ছিল?

উত্তর: BDRIS (Birth and Death Registration Information System) সিস্টেমের সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) জোরদার করা এবং তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি কমানোর জন্য সাময়িকভাবে পাবলিক অ্যাক্সেস সীমিত রাখা হয়েছিল। নিরাপত্তা আপগ্রেড সম্পন্ন হওয়ার পরেই সেবা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

প্রশ্ন ৪: মৃত্যুনিবন্ধনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?

উত্তর: মৃত্যুনিবন্ধনের জন্য সাধারণত মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদ, চিকিৎসকের মৃত্যু সনদ (Medical Death Certificate), আবেদনকারীর NID এবং ঠিকানার প্রমাণ প্রয়োজন হয়। এখন সর্বোচ্চ ২ MB সাইজের ফাইল আপলোড করা যাবে।

প্রশ্ন ৫: মৃত্যুনিবন্ধন আবেদনে সমস্যা হলে কোথায় সাহায্য পাবো?

উত্তর: সমস্যায় পড়লে 16152 হেল্পলাইনে কল করুন। টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য support@bdris.gov.bd এবং সাধারণ সাহায্যের জন্য help@bdris.gov.bd ইমেইলে যোগাযোগ করুন।

প্রশ্ন ৬: মৃত্যুনিবন্ধন কি অনলাইনে বাধ্যতামূলক?

উত্তর: না, অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক নয়। আপনি চাইলে সরাসরি নিবন্ধন কার্যালয়ে গিয়েও আবেদন করতে পারবেন। তবে অনলাইনে করলে সময় ও কষ্ট দুটোই বাঁচে।

প্রশ্ন ৭: মৃত্যুর কতদিনের মধ্যে নিবন্ধন করা উচিত?

উত্তর: বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন অনুযায়ী মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যুনিবন্ধন করা উচিত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না করলে পরবর্তীতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

প্রশ্ন ৮: পুরনো মৃত্যুর (বিলম্বিত) নিবন্ধন কি অনলাইনে করা যাবে?

উত্তর: হ্যাঁ, বিলম্বিত মৃত্যুনিবন্ধনও BDRIS সিস্টেমে করা যায়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে অতিরিক্ত নথিপত্র ও প্রক্রিয়া প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কার্যালয়ের সহায়তা নেওয়া ভালো।

শেষ কথা (Conclusion)

দীর্ঘ তিন মাস পর অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন (Online Death Registration) পুনরায় চালু হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য সত্যিই একটি স্বস্তির খবর। সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) নিশ্চিত করে সেবা চালু হওয়ায় এখন নাগরিকদের তথ্যও আগের চেয়ে অনেক বেশি সুরক্ষিত।

আপনার পরিবারে কারো মৃত্যুনিবন্ধন বাকি থাকলে দেরি না করে এখনই bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করুন। কোনো সমস্যা হলে 16152 হেল্পলাইনে ফোন করুন। ডিজিটাল সেবার এই প্রসার আমাদের দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে — সেটি নিঃসন্দেহে আশার কথা।

Shakil Hi, i am shakil